আমেরিকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ , ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিপ্লব কুমারসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত খুলনায় যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা সিলেটে একই বাসায় তিনজন খুন আধিপত্যবাদবিরোধী নাগরিক সমাজ’-এর আত্মপ্রকাশ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে  ‘ফ্রেশ স্টার্ট’ চায় ঢাকা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকায় ভারতের ‘র’ প্রধান পরাগ জৈন ওয়ারেনে পৃথক দুই ঘটনায় গুলিতে নিহত ২ : সন্দেহভাজনরা গ্রেপ্তার রোজভিলে বিয়ের অনুষ্ঠানে গোলাগুলি, আহত ৫ সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর শোক এসএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ শতাংশ সাউথফিল্ডের রেস্তোরাঁয় গুলিবর্ষণ, নিহত ২ লেক সেন্ট ক্লেয়ারে এক সাঁতারু নিখোঁজ মিশিগানে ড্রোন পরীক্ষার নতুন দুয়ার, ক্যাম্প গ্রেলিংকে স্বীকৃতি ডেট্রয়েটে ধারাবাহিক অগ্নিসংযোগ ও  চুরি : গ্রেপ্তার সাবেক দমকলকর্মী হ্যামট্রাম্যাক কাউন্সিলর হাসানকে প্রবেশন ও সমাজসেবার সাজা ডেট্রয়েটে বাণিজ্যিক সম্পত্তির দামে বড় পতন পন্টিয়াকে অ্যাপার্টমেন্টে গুলিবর্ষণ;  নিহত একজন, আহত আরেকজন প্রথম দিনেই সাড়া ফেলল গর্ডি হাও ব্রিজের সাইকেল ও পথচারী পথ হুইটমোর লেকে ই. কোলাই বৃদ্ধি, বন্ধ ঘোষণা করা হলো সৈকত

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ আজ

  • আপলোড সময় : ০৭-০৩-২০২৬ ০৩:০৪:৩২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-০৩-২০২৬ ০৩:০৪:৩২ অপরাহ্ন
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ আজ
ঢাকা, ৭ মার্চ : ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ আজ। বাঙালির জীবনে এক অনন্য গৌরবময় দিন। একাত্তরের এই দিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রাম ভিন্ন মাত্রা পেয়েছিল। তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)-এ শেখ মুজিবুর রহমান যে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন, তাতে রক্ত টগবগিয়ে উঠেছিল মুক্তিপাগল বাঙালির। মুহুর্মুহু স্লোগানে কেঁপে ওঠে বাংলার আকাশ, নড়ে ওঠে মানুষের হাতে ধরা গর্বিত লাল-সবুজ পতাকা।
৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ তার এই বজ্রকণ্ঠের আহ্বানে সারা দেশে স্বাধীনতার আন্দোলন নতুন গতি পায়। পাকিস্তানি সামরিক জান্তা এই ভাষণে দিশাহারা হয়ে পড়ে এবং মুক্তিকামী বাঙালি স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত হয়।
সেদিন ঢাকা ছিল লাখো মানুষের শহর। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ছুটে এসেছিল বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনার জন্য। স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাকা শহর। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ দেশের জনগণকে গভীরভাবে আন্দোলিত করে এবং নিরস্ত্র বাঙালিকে সংগ্রামী জাতিতে পরিণত করে। তাই ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালির প্রেরণার চিরন্তন উৎস হিসেবে বিবেচিত হয় এবং আমাদের মহান স্বাধীনতার ভিত্তি গড়ে দেয়। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের পর তার ওপর বিচ্ছিন্নতাবাদের অভিযোগ চাপিয়ে বাঙালি নিধনের ঘৃণ্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেয় তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী।
২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের শত নিপীড়ন উপেক্ষা করে বীর বাঙালির স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল এই ভাষণ। এরপর দীর্ঘ ৯ মাসের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শেষে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৪ সাল পর্যন্ত দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হলেও ২০২৫ সালে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়নি। এমনকি পাঠ্যবই থেকে বঙ্গবন্ধুর শেখ মুবিজুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বাদ দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ শেখ হাসিনা সরকার ‘জাতীয় দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। ২০২১ সালে দিবসটি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়। সরকার ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে দিনটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়।
এরপর থেকে প্রতি বছরই রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করা হলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই বছরের ১৬ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ দিবসটি বাতিল করে। একইসঙ্গে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটিও বাতিল করা হয়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

কমেন্ট বক্স